সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:০৯
শিরোনাম :
পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

নৈশভোজে ট্রাম্পের খাবারের মেনুতে ছিল গরুর পাঁজরের মাংসসহ বেইজিং হাঁসের রোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলাতে এবার অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠল বেইজিংয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘রাষ্ট্রীয় ভোজ’।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানে আয়োজিত এই ভোজসভাটি ছিল প্রতীকী এবং রন্ধনশৈলীর এক অনন্য সংমিশ্রণ। যেখানে চীনা ঐতিহ্যের পাশাপাশি গুরুত্ব পেয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত পছন্দও।

চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজের মূল আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত হুয়াইয়াং রন্ধনশৈলী। হালকা ও স্নিগ্ধ স্বাদের জন্য পরিচিত এই অঞ্চলের খাবার বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য মেনুতে আনা হয়েছিল বিশেষ পরিবর্তন। তার ‘ওয়েল-ডান’ বা সুসিদ্ধ স্টেক খাওয়ার পছন্দের প্রতি সম্মান জানিয়ে গরুর পাঁজরের মাংসের বিশেষ একটি পদ রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি পরিবেশন করা হয়েছিল চীনের বিশ্বখ্যাত সিগনেচার ডিশ ‘বেইজিং হাঁসের রোস্ট’ বা বেইজিং ডাক।

মিষ্টির আইটেমেও ছিল বিশেষ বৈচিত্র্য। অতিথিদের জন্য তিরামিসু, ফল ও আইসক্রিমের পাশাপাশি পরিবেশন করা হয়েছে ‘ট্রাম্পেট-শেল’ বা শঙ্খ আকৃতির বিশেষ পেস্ট্রি। চীনের ইতিহাসে খাবারকে বারবার কূটনীতির শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ১৯৭১ সালে কিসিঞ্জারের সফর থেকে শুরু করে হালের জ্যানেট ইয়েলেন কিংবা জো বাইডেন—সবার ক্ষেত্রেই চীনা খাবার বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সাংহাইয়ের অভিজাত শেফদের মতে, হুয়াইয়াং খাবার যে কোনো দেশের অতিথির রুচির সঙ্গে মানিয়ে যায়। এর বিশেষ পদের মধ্যে রয়েছে সিংহের মাথা: নরম মাংসের তৈরি বড় মিটবল। ওয়েনসি তোফু: তোফুর খণ্ডকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কয়েক হাজার সরু সুতার মতো কেটে তৈরি করা পদ। স্কুইরেল ফিশ: মিষ্টি-টক সসে ডুবো তেলে ভাজা মাছ।

খাদ্য লেখক ক্রিস্টোফার সেন্ট ক্যাভিশের মতে, এই খাবারগুলো সিচুয়ান অঞ্চলের মতো খুব বেশি ঝাল নয়, আবার উত্তরের খাবারের চেয়েও হালকা। ফলে বিদেশি অতিথিদের জন্য এটি সব সময়ই একটি ‘নিরাপদ’ ও গ্রহণযোগ্য বিকল্প।

১৯৪৯ সালে চীন প্রতিষ্ঠার সময় থেকে শুরু করে ১৯৯৯ সালের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ২০০২ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের সফর—সবখানেই হুয়াইয়াং খাবার ছিল প্রধান আকর্ষণ। ইয়াংসি নদী অববাহিকার মিঠাপানির মাছ ও বাঁশের কোঁড়লের সতেজ স্বাদ এই ভোজসভাকে আভিজাত্যের অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়।